“উপহাস এবং উপহাসিত”

ডাকের একটা কথা আছে, বেশি হাসলে কাঁদতে হয়। নতুন কথা হলো, উপহাস করলে উপহাসিত হতে হয়।
বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করে একটা বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছি, আমরা উপহাস এবং সমালোচনা করতে খুব বেশি পছন্দ করি।
সমস্যা হলো, যারা সমালোচনা করে ওরাই বেশি সমালোচিত হয় এবং যারা উপহাস করে ওরাই উপহাসিত হয়।
কারণ হলো, কেউ সমালোচিত অথবা উপহাসিত হতে চায় না। সবার আত্মমর্যাদাবোধ আছে। পাগল কখনও নিজেকে পাগল ডাকে না তবে অন্যকে পাগল ডেকে হা হা করে হাসে।
দেশে যথেষ্ট সমস্যা আছে এবং সবাই ভুল করি। ভুল না করলে আত্মশুদ্ধি করা যায় না।
সমাজকে কেমনে সুষ্ট করতে হবে সে চিন্তা না করে কে কী করলো তা নিয়ে আমরা মহাব্যস্ত। নিজের ভুল আমরা দেখি না বা দেখতেও চাই না।
মারামারি কাটাকাটি, অন্যায় অত্যাচার, নষ্টামি, ভন্ডামি সন্ত্রাস এবং আতঙ্ক শব্দের অর্থ বুঝতে হবে।
হাজার হাজার কোটি টাকা হাপিশ হচ্ছে কোনো হদিস নাই।

শুধু আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার চিন্তা করলে চলবে না। অন্তঃস্বত্ত্বা (গর্ভবতী নারী) শিশু, এতিম অনাথ অসহায়ের চিন্তাও করতে হবে।
মনে রাখতে হবে বাংলাদেশে রাজা রানি নেই। দেশের হর্তাকর্তারা জনসেবক।

শেষকথা, জানতে হলে পড়তে হয়। আমরা পড়তে পছন্দ করি না। পড়তে শুরু করলে নিশ্চয় অজ্ঞতা দূর হবে।

সবার মঙ্গল হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *